Allahr Masjid | Qasba Mosque

Allahr Masjid | Qasba Mosque

مسجد·Kosba Allah'r Masjid

۴.۶(۱۱۳)

درباره

اللاهر مسجد | قسّبا مسجد در گورنادی، بنگلادش، یک مکان مقدس برای نمازگزاران و مسافرانی است که به دنبال آرامش در دل شهر می‌گردند. این مسجد در منطقه‌ی پر رونق گورنادی، جایگاه ویژه‌ای دارد و برای خانواده‌ها، جوانان و مسافران مناسب است. فضای آرام و دوستانه‌ی مسجد باعث می‌شود هر کسی حس کند که در خانه‌ی خودش است. اگر می‌خواهید روحیه‌ی خود را تازه کنید، حتماً به این مسجد سر بزنید.

اطلاعات تماس و آدرس

Kosba Allah'r Masjid, Bhanga-Barisal Hwy, Gournadi, بنگلادش

اسکن سریع

نظرات

mukim hossain

یک ماه قبل

۵

কসবা মসজিদ বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কসবা গ্রামে এর অবস্থান। বরিশালের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে এটিই আয়তনে সবচেয়ে বড়। মসজিদ নির্মাণের তারিখ সংযুক্ত কোনো শিলালিপি পাওয়া যায় নি। তবে জনশ্রুতি আছে, সম্রাট জাহাঙ্গীর এর আমলে এই জঙ্গলকে চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য এক দল লোক জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার সময় এ মসজিদটির সন্ধান পান। মসজিদের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা নির্মাণকারীর সন্ধান না পেয়ে তখন ওই এলাকার মুসলমানরা এর নাম রাখেন 'আল্লাহর মসজিদ'। আবার বলা হয়ে থাকে, সাবহি খান নামক এক ব্যক্তি ষোল শতকের প্রথমদিকে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। তবে, নির্মাতার আর কোনো পরিচয় পাওয়া যায় না। কসবা মসজিদের ভূমি-নকশা, পরিমাপ, অভ্যন্তরীণ বিন্যাস, ছাদের উপর গম্বুজের অবস্থান, প্রবেশ দরজার অবস্থান ও অলংকরণ, চারকোণের বুরুজসমূহ প্রভৃতি দেখলে একে বাগেরহাটের খান জাহান নির্মিত নয়গম্বুজ মসজিদ এবং খুলনার মসজিদকুঁড় মসজিদের অনুকৃতি বলে মনে হবে। খান জাহানি স্থাপত্য রীতির সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠ মিল থাকায় মনে করা হয় যে, খান জাহান আলী কর্তৃক এ অঞ্চল মুসলিম অধিকারে আসার পর পনেরো শতকের মাঝামাঝি সময়ে কসবা মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।নয় গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদটির সাথে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের অনেকাংশেই মিল রয়েছে। পোড়ানো লাল ইট দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বর্গাকার এ মসজিদটি। এর প্রতিটি বাহু ১৬.৯৬ মিটার দীর্ঘ। এবং দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৮ মিটার চওড়া। মসজিদের আয়তন ১১.৬৮ মিটার ×১১.৬৮ মিটার। মসজিদের অভ্যন্তরভাগ চারটি পাথরের স্তম্ভ দ্বারা নয়টি চতুষ্কোণ ‘বে’-তে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি বে'র উপর একটি করে গম্বুজ রয়েছে। প্রতি গম্বুজের ভিত্তির নিচে পরস্পর ছেদকারী খিলানগুলোর চারটি ত্রিকোণাকার জায়গায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পেন্ডেন্টিভ অলঙ্করণ। ভবনটির কার্ণিশ প্রচলিত বাঙালি রীতিতে কিছুটা বাঁকানো। মসজিদের অলংকরণে ব্যবহৃত হয়: পোড়ামাটির বুটিদার নকশা, খাঁজ কাটা হীরক আকৃতির নকশা, প্যাঁচানো নকশা, শিকল নকশা এবং গোলাপ নকশা। মিহরাবের কুলুঙ্গিতে এবং দরজার খিলানে এখনো এ নকশাগুলোর নমুনা টিকে আছে। মসজিদের চারকোণে রয়েছে ৪টি ছোট মিনার বা বুরুজ। এই বৃত্তাকার বুরুজগুলো ছাদ পর্যন্ত প্রলম্বিত। বুরুজগুলো নিচ থেকে উপরে ক্রমশঃ সরু হয়ে গেছে। এগুলোর ভিত্তি কিছুটা বাঁকানো এবং চূড়া একেবারে সমান। ছাদের উপরে তিন সারিতে মোট নয়টি গম্বুজ রয়েছে। প্রতিটি গম্বুজ চারটি পাথরের স্তম্ভের উপর ভর করে দণ্ডায়মান। মনে করা হয় স্তম্ভগুলো আগ্নেয় শিলাজাত ব্যাসল্ট কিংবা ডলেরাইট পাথর দিয়ে নির্মিত।[৪] মসজিদের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিকের দেয়ালে রয়েছে তিনটি করে খিলান বা প্রবেশ পথ। এগুলোর মধ্যে মাঝের খিলানটি অন্য দুটির চেয়ে বড়। বর্তমানে পূর্ব দিকের তিনটি খিলান খোলা থাকলেও উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালের মাঝের খিলানগুলোই শুধু খোলা রয়েছে। বাকি খিলানগুলো ইট দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মিহরাব রয়েছে; যা পূর্ব দেয়ালের খিলানগুলোর সাথে মিল রেখেই তৈরি করা হয়েছে। বহিঃপ্রাচীরের পশ্চিম দিকে একটি বাড়তি দেয়াল বা প্রজেকশন আছে।মসজিদের সামনে একটি পুকুর আছে যা এখন প্রায় শুকিয়ে গিয়েছে। সম্ভবত ওযু করার জন্য এটি খনন করা হয়েছিল। এছাড়া, কসবা মসজিদের উত্তর দিকে দূত মল্লিক নামক এক মনীষীর মাজার রয়েছে। ৮৯০ বঙ্গাব্দের ১ জ্যৈষ্ঠ (১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দ) মাজারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাজার সংরক্ষণের জন্য সম্রাট জাহাঙ্গীর লাখেরাজ সম্পত্তি দান করেন। এ দানপত্রে সম্রাজ্ঞী নূর জাহান কর্তৃক খোদিত পাঞ্জা কসবার কাজী পরিবারের কাছে রক্ষিত আছে। বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এতে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হয়ে থাকে।

arham chowdhury

۵ ماه قبل

۳

The Qasba Mosque or Allah'r Mosjid as locally called is a nine-domed mosque located in Qasba village under Gournadi upazila, Barisal. It has a square shape like the 60-domed mosque at Bagerhat, hence it is believed to be of the same era though the foundation plaque is missing. While visiting the site please remember that this is an active religious site and deserves befitting respectful behaviour while one is there.

Mukim Hossain

۸ ماه قبل

۵

কসবা মসজিদ বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কসবা গ্রামে এর অবস্থান। বরিশালের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে এটিই আয়তনে সবচেয়ে বড়।এ মসজিদ নির্মাণের তারিখ সংযুক্ত কোনো শিলালিপি পাওয়া যায় নি। তবে জনশ্রুতি আছে, সম্রাট জাহাঙ্গীর এর আমলে এই জঙ্গলকে চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য এক দল লোক জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার সময় এ মসজিদটির সন্ধান পান। মসজিদের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা নির্মাণকারীর সন্ধান না পেয়ে তখন ওই এলাকার মুসলমানরা এর নাম রাখেন 'আল্লাহর মসজিদ'।[৭] আবার বলা হয়ে থাকে, সাবহি খান নামক এক ব্যক্তি ষোল শতকের প্রথমদিকে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। তবে, নির্মাতার আর কোনো পরিচয় পাওয়া যায় না।[৩] কসবা মসজিদের ভূমি-নকশা, পরিমাপ, অভ্যন্তরীণ বিন্যাস, ছাদের উপর গম্বুজের অবস্থান, প্রবেশ দরজার অবস্থান ও অলংকরণ, চারকোণের বুরুজসমূহ প্রভৃতি দেখলে একে বাগেরহাটের খান জাহান নির্মিত নয়গম্বুজ মসজিদ এবং খুলনার মসজিদকুঁড় মসজিদের অনুকৃতি বলে মনে হবে। খান জাহানি স্থাপত্য রীতির সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠ মিল থাকায় মনে করা হয় যে, খান জাহান আলী কর্তৃক এ অঞ্চল মুসলিম অধিকারে আসার পর পনেরো শতকের মাঝামাঝি সময়ে কসবা মসজিদ নির্মিত হয়েছিলনয় গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদটির সাথে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের অনেকাংশেই মিল রয়েছে। পোড়ানো লাল ইট দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বর্গাকার এ মসজিদটি। এর প্রতিটি বাহু ১৬.৯৬ মিটার দীর্ঘ।[১] এবং দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৮ মিটার চওড়া। মসজিদের আয়তন ১১.৬৮ মিটার ×১১.৬৮ মিটার।[২] মসজিদের অভ্যন্তরভাগ চারটি পাথরের স্তম্ভ দ্বারা নয়টি চতুষ্কোণ ‘বে’-তে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি বে'র উপর একটি করে গম্বুজ রয়েছে। প্রতি গম্বুজের ভিত্তির নিচে পরস্পর ছেদকারী খিলানগুলোর চারটি ত্রিকোণাকার জায়গায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পেন্ডেন্টিভ অলঙ্করণ। ভবনটির কার্ণিশ প্রচলিত বাঙালি রীতিতে কিছুটা বাঁকানো। মসজিদের অলংকরণে ব্যবহৃত হয়: পোড়ামাটির বুটিদার নকশা, খাঁজ কাটা হীরক আকৃতির নকশা, প্যাঁচানো নকশা, শিকল নকশা এবং গোলাপ নকশা। মিহরাবের কুলুঙ্গিতে এবং দরজার খিলানে এখনো এ নকশাগুলোর নমুনা টিকে আছে।মসজিদের চারকোণে রয়েছে ৪টি ছোট মিনার বা বুরুজ। এই বৃত্তাকার বুরুজগুলো ছাদ পর্যন্ত প্রলম্বিত। বুরুজগুলো নিচ থেকে উপরে ক্রমশঃ সরু হয়ে গেছে। এগুলোর ভিত্তি কিছুটা বাঁকানো এবং চূড়া একেবারে সমান। কসবা মসজিদের উত্তর দিকে দূত মল্লিক নামক এক মনীষীর মাজার রয়েছে। ৮৯০ বঙ্গাব্দের ১ জ্যৈষ্ঠ (১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দ) মাজারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাজার সংরক্ষণের জন্য সম্রাট জাহাঙ্গীর লাখেরাজ সম্পত্তি দান করেন। এ দানপত্রে সম্রাজ্ঞী নূর জাহান কর্তৃক খোদিত পাঞ্জা কসবার কাজী পরিবারের কাছে রক্ষিত আছে।

Mahmudul hasan Muhib

تاریخ ویرایش: ۷ سال قبل

۵

This is a historic mosque. It's about 500 years old, It's was build in the time of Khan Jahan Ali (RAH.) at the same time with Bagerhat '60 Gommuj Mosque' .এটি একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। এটি প্রায় 500 বছর বয়সী, এটি খান জাহান আলী (রাহ।) সময় বাগেরহাট 60 Gommuj মসজিদ সঙ্গে একই সময় নির্মিত হয়েছিল।

Rouf Abeer

۳ سال قبل

۵

কসবা মসজিদ বরিশাল জেলার গৌরনদী থানাধীন কসবা গ্রামে অবস্থিত নয় গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মসজিদটি বাগেরহাট জেলার নয় গম্বুজ ও খুলনা জেলার মসজিদকুড় মসজিদের অনুরূপ। বর্গাকারে নির্মিত মসজিদটির পরিমাপ ১১.৬৮ মিটার দ্ধ ১১.৬৮ মিটার এবং দেয়ালগুলো ২.১৮ মিটার চওড়া। এর চারকোণে চারটি গোলাকার টারেট রয়েছে যা মসজিদের ছাদ পর্যন্ত প্রলম্বিত। মসজিদটি পোড়ামাটির বুটিদার নকশা, খাঁজ কাটা হীরক আকৃতির নকশা, প্যাঁচানো নকশা, শিকল নকশা এবং গোলাপ ফুলের নকশায় অলঙ্কৃত ছিল । বর্তমানে এগুলির নমুনা টিকে আছে মিহরাবের কুলুঙ্গিতে এবং দরজার খিলানে। কসবা মসজিদের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এর কার্নিশগুলো বক্রাকারে নির্মিত। মসজিদের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে একটি করে মোট তিনটি খিলানযুক্ত প্রবেশ পথ রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে তিনটি মেহরাব কুলুঙ্গি। কেন্দ্রীয় মেহরাবটি অপেক্ষাকৃত বড় ও অলংকৃত। মসজিদে কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি। মসজিদের স্থাপত্যকলা ও নির্মাণ কৌশল দেখে অনুমান করা যায় যে এটি পঞ্চদশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ে খান জাহান (র:) এঁর সময়ে নির্মিত । Kasba Mosque is a nine-domed mosque located in Kasba village under Gournadi Thana of Barisal district. The mosque is similar to the nine-domed mosque in Bagerhat district and the Masjidkur mosque in Khulna district. The square mosque measures 11.68 meters by 11.68 meters and the walls are 2.18 meters wide. It has four round turrets at its four corners extending up to the roof of the mosque. The mosque was decorated with terracotta butida designs, incised diamond-shaped designs, patchwork designs, chain designs and rose flower designs. Today, examples of these survive in the niches of the mihrab and the arch of the door. The remarkable feature of Kasba Mosque is its curved cornices. The mosque has a total of three arched entrances, one each on the north, south and east sides. There are three arched niches on the west wall. The central arch is relatively large and ornate. No inscriptions were found in the mosque. The architecture and construction techniques of the mosque suggest that it was built during the reign of Khan Jahan (RA) in the middle of the fifteenth century.

Arman

۵ سال قبل

۵

'কসবা মসজিদ' বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কসবা গ্রামে অবস্থিত। বরিশালের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে বড় এই মসজিদটি স্থানীয়ভাবে 'আল্লাহর মসজিদ' নামে পরিচিত। মসজিদটি বাগেরহাট জেলার নয় গম্বুজ মসজিদ ও খুলনা জেলার মসজিদকুড় মসজিদের অনুরূপ। বর্গাকারে নির্মিত মসজিদ টির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ১১.৬৮ মিটার এবং দেয়ালগুলো ২.১৮ মিটার চওড়া। মসজিদের চার কোণায় চারটি গোলাকার টারেট রয়েছে যা মসজিদের ছাদ পর্যন্ত প্রলম্বিত।মসজিদের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে তিনটি খিলানযুক্ত প্রবেশ পথ রয়েছে।পশ্চিম দিকে রয়েছে তিনটি মেহরাব কুলুঙ্গি। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী ও নির্মাণ কৌশল দেখে অনুমান করা যায় যে, মসজিদটি পঞ্চাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে খান জাহান আলী (রঃ) এর সময়ে নির্মিত।নয় গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদে কোনো শিলালিপি পাওয়া যায় নি। তবে জনশ্রুতি আছে, সম্রাট জাহাঙ্গীর এর আমলে এই জঙ্গলকে চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য এক দল লোক জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার সময় এ মসজিদটির সন্ধান পান। মসজিদের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা নির্মাণকারীর সন্ধান না পেয়ে তখন ওই এলাকার মুসলমানরা এর নাম রাখেন 'আল্লাহর মসজিদ'।

Nadim Ahsan Tuhin

۵ سال قبل

۵

কসবা আল্লাহর মসজিদ, গৌরনদী, বরিশাল কসবা মসজিদ যা আল্লাহর মসজিদ নামে পরিচিত, একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কসবা গ্রামে এর অবস্থান। বরিশালের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে এটিই আয়তনে সবচেয়ে বড়। নয় গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদে নির্মাণের তারিখ সংযুক্ত কোনো শিলালিপি পাওয়া যায় নি। তবে জনশ্রুতি আছে, সম্রাট জাহাঙ্গীর এর আমলে এই জঙ্গলকে চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য এক দল লোক জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার সময় এ মসজিদটির সন্ধান পান। মসজিদের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা নির্মাণকারীর সন্ধান না পেয়ে তখন ওই এলাকার মুসলমানরা এর নাম রাখেন 'আল্লাহর মসজিদ'।

monjurul babon

۳ ماه قبل

۵

👍👍

Omar Faruk

۲ سال قبل

۵

This mosque is really beautiful and it's structure is mind-blowing. It has mainly 9 gompuz .Khan Jahan (Ra)

Ashik The Traveler

تاریخ ویرایش: ۳ سال قبل

۵

কসবা মসজিদ বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কসবা গ্রামে অবস্থিত। বরিশালের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে বড় এই মসজিদটি স্থানীয়ভাবে 'আল্লাহর মসজিদ' নামে পরিচিত। মসজিদটি বাগেরহাট জেলার নয় গম্বুজ মসজিদ ও খুলনা জেলার মসজিদকুড় মসজিদের অনুরূপ। বর্গাকারে নির্মিত মসজিদ টির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ১১.৬৮ মিটার এবং দেয়ালগুলো ২.১৮ মিটার চওড়া। মসজিদের চার কোণায় চারটি গোলাকার টারেট রয়েছে যা মসজিদের ছাদ পর্যন্ত প্রলম্বিত।মসজিদের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে তিনটি খিলানযুক্ত প্রবেশ পথ রয়েছে।পশ্চিম দিকে রয়েছে তিনটি মেহরাব কুলুঙ্গি। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী ও নির্মাণ কৌশল দেখে অনুমান করা যায় যে, মসজিদটি পঞ্চাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে খান জাহান আলী (রঃ) এর সময়ে নির্মিত। নয় গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদে কোনো শিলালিপি পাওয়া যায় নি। তবে জনশ্রুতি আছে, সম্রাট জাহাঙ্গীর এর আমলে এই জঙ্গলকে চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য এক দল লোক জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার সময় এ মসজিদটির সন্ধান পান। মসজিদের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা নির্মাণকারীর সন্ধান না পেয়ে তখন ওই এলাকার মুসলমানরা এর নাম রাখেন 'আল্লাহর মসজিদ'। ছবি ২০২৩ !! 😍 #কসবামসজিদ #গৌরনদীবরিশাল #পঞ্চাদশশতাব্দীরমসজিদ #সুলতানীআমলেমসজিদ #ashikthetraveler #bangladeshheritagestudyanddevelopmentfoundation #historicalplace #ashikuzzamanashik

Anamul Iqbal

۳ سال قبل

۵

এটি খান জাহান (রঃ) এর সময় কালে নির্মিত নয় গম্বুজ মসজিদ। বরিশাল বিভাগের গৌরনদী থানার কসবা গ্রামে অবস্থিত। পঞ্চদশ শতাব্দির ঐতিহাসিক এক নিদর্শন।

Dewan Rubaiat Hussain

یک سال قبل

۵

It's a fascinating Mosque with the same architecture and style of the famous "60 Dome Mosque" (ষাট গম্বুজ মসজিদ), situated in Bagerhut district, by Hazrat Khan Zahan Ali (Rah.). The notice board from the Department of Archeology also confirms the connection and time period similar to the 60 Dome Mosque. It's indeed a valuable gem from the examples of our rich history and heritage!

Saibur Rahman Jim

یک سال قبل

۵

বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার বড় কসবা গ্রামে ‘আল্লাহর মসজিদ’ অবস্থিত। এ মসজিদ নির্মাণের সঠিক তারিখ সংযুক্ত কোনো শিলালিপি পাওয়া যায়নি। তবে জনশ্রুতি আছে, সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে এ জঙ্গলকে চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য একদল লোক জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার সময় এ মসজিদটির সন্ধান পায়। মসজিদের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা নির্মাণকারীর সন্ধান না পেয়ে তখন ওই এলাকার মুসলমানরা এর নাম রাখে ‘আল্লাহর মসজিদ’। কেউ কেউ এটাও বলেন, সাবহি খান নামক এক ব্যক্তি ষোলো শতকের প্রথমদিকে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। তবে ইতিহাসে নির্মাতার আর কোনো পরিচয় পাওয়া যায় না। মসজিদটির গঠনশৈলী দেখলে তৎকালীন অনুন্নত বঙ্গের মুসলিম শাসক আর নির্মাতাদের অসাধারণ নির্মাণ কৌশল আর সূক্ষ্ম রুচি ও চিন্তাধারায় বিস্মিত হতে হয়। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ১১.৬৮ মিটার। অর্থাৎ ৩৮ ফুট করে। মসজিদটির ছাদের ওপর তিন সারিতে মোট নয়টি গম্বুজ রয়েছে। প্রতিটি গম্বুজ চারটি পাথরের স্তম্ভের ওপর ভর করে দণ্ডায়মান। মনে করা হয় স্তম্ভগুলো আগ্নেয় শিলাজাত ব্যাসল্ট কিংবা ডলেরাইট পাথর দিয়ে নির্মিত। এছাড়া কসবা মসজিদের উত্তর দিকে দূত মল্লিক নামক এক মনীষীর মাজার রয়েছে। ৮৯০ বঙ্গাব্দের ১ জ্যৈষ্ঠ (১৪৮৩ খ্রিষ্টাব্দ) মাজারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাজার সংরক্ষণের জন্য সম্রাট জাহাঙ্গীর লাখেরাজ সম্পত্তি দান করেন। এ দানপত্রে সম্রাজ্ঞী নূর জাহান কর্তৃক খোদিত পাঞ্জা কসবার কাজী পরিবারের কাছে রক্ষিত আছে। বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এতে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হয়ে থাকে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে দীর্ঘদিন টিকে থাকবে এ মসজিদ।

Rual Robin

یک سال قبل

۵

Kosba Mosjid is an intriguing mosque whose original founder and exact date of establishment remain unknown. Its architectural style is similar to the Sixty Dome Mosque and the Nine Dome Mosque in Bagerhat. The mosque features four minarets and nine domes, showcasing exquisite craftsmanship. It is believed that the mosque might have been built during the time of Khan Jahan Ali's rule. I visited this historic site from Dhaka. To reach the mosque, you need to inform the bus conductor to stop at "Allah's Mosjid" before the bus reaches the Gournodi bus stand.

Akbar Kabir Md. Niyamul Khoda

۳ سال قبل

۵

Inside the mosque there are 4 pillars, those are really amazing

Mazedul Alam

۲ سال قبل

۵

Qasba Mosque (Bengali: কসবা মসজিদ, Arabic: مسجد القصبة) is an early 16th-century nine-domed mosque and archaeological site located in Barisal District of Bangladesh. It is located in the Qasba village under Gournadi Upazila. It is named after the village. The mosque, which has a total of nine domes, is very similar to the Nine Dome Mosque in Bagerhat. The village of Qasba was an important center in the Sultanate of Bengal and was home to several influential Muslim families. The mosque was constructed in the early 16th century, during the reign of Alauddin Husain Shah. The earlier Nine Dome Mosque built by Khan Jahan Ali in Khalifatabad is considered to be its inspiration due to the striking similarities. Despite the mosque's Sultanate origins, locals often credit the mosque to Sabi Khan, the Mughal faujdar of Bakla who built several mosques and roads in the region. Though still in use, the mosque is a protected monument by Department of Archaeology.

Md Tarikul Islam

تاریخ ویرایش: ۴ سال قبل

۳

প্রত্ত্বত মসজিদ। ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী- টর্কী মাঝে। সুন্দর মসজিদ। মাশ আল্লাহ। এখানে কিছু আচার চালু আছে। যেমন মানত। এখানে দেখলাম মুরগী দান করছে। মসজিদের ভিতর বিশেষ জায়গা সিজদা দিচ্ছে। আল্লাহ ভালো জানেন। কি উদ্দেশ্যে এই কাজ লোকজন করছে। শিরক যেন না হয়ে যায় খেয়াল রাখতে হবে। বেশিরভাগ জায়গায়ই দেখা যায়। ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই এসব কাজই বেশি হচ্ছে। Preserved mosque. Dhaka-Barisal highway between Gournadi-Turkey. Beautiful mosque. Mash Allah. There are some rituals going on here. Such as vows. Here I saw chickens donating. The special place inside the mosque is prostrating. God knows best. What is the purpose of this work? We have to take care that shirk does not happen. Seen in most places. Islam has nothing to do with these things.

tarek mahiuddin

۲ سال قبل

۵

আনুমানিক 1000 বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী কসবা জামে মসজিদ। একটি বরিশাল জেলার গৌরনদী থানায় অবস্থিত।

Taohidul Islam

تاریخ ویرایش: ۵ سال قبل

۵

কসবা মসজিদ বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কসবা গ্রামে এর অবস্থান। বরিশালের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে এটিই আয়তনে সবচেয়ে বড়।

Kazi Khursana Baishakhi

۵ سال قبل

۵

Very nice with elegant look. People come here regularly. They pray and says their special wishes. There is a pond in front of the masjid. There is also a beautiful small garden in front of the masjid. Sometimes there we can found beautiful flowers. Special place for womens prayer. And there is also available ladies toilet. All over masjid is neat and clean. The view of the masjid is also very nice.

مسیریابی