ABDUR RAHMAN
۳ ماه قبل
Pakutia Jamidar Bari পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি পর্যটন প্রাচীন ঐতিহ্যের সাক্ষী ... পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি Pakutia Zamindar Bari টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া গ্রামে অবস্থিত পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন, যা ১৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত [১, ৮]। ১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই জমিদার বাড়িতে অপূর্ব কারুকার্যখচিত পাশাপাশি তিনটি বিশাল প্রাসাদ বা অট্টালিকা রয়েছে, যা 'তিন মহলা' বা 'তিন তরফ' নামে পরিচিত [৩, ১০]। বর্তমানে এখানে একটি ডিগ্রি কলেজ পরিচালিত হচ্ছে [৮]। পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির বিস্তারিত তথ্য: অবস্থান: নাগরপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল জেলা [১]। স্থাপত্য শৈলী: অপূর্ব লতাপাতার কারুকাজ এবং ইউরোপীয় ও স্থানীয় শৈলীর মিশ্রণে নির্মিত তিনটি পাশাপাশি প্রাসাদ [১০]। প্রতিষ্ঠাতা: জমিদার রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডলের তিন নাতি—ব্রজেন্দ্র মোহন, উপেন্দ্র মোহন এবং যোগেন্দ্র মোহন [৫, ৬]। বিশেষ আকর্ষণ: সুবিশাল কারুকার্যখচিত অট্টালিকা, নাটমন্দির, কালীমন্দির, এবং সুদৃশ্য বাগান [৮]। বর্তমান অবস্থা: বর্তমানে বাড়িটি বি.সি.আর.জি. ডিগ্রি কলেজ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [৮]। কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে যমুনা সেতু হয়ে বা সাভার-ধামরাই-কালিয়াকৈর হয়ে নাগরপুর যাওয়া যায় [৬]। নাগরপুর উপজেলা সদর থেকে সিএনজি বা অটোতে পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি সহজে যাতায়াত করা যায় [১]। ভ্রমণের সময়: সারাবছরই যাওয়া গেলেও শীতকাল বা বর্ষাকাল ঘুরে দেখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার একটি অন্যতম সেরা পর্যটন স্পট হিসেবে পরিচিত [৫]।ইংরেজ আমলের শেষ দিকে এবং পাকিস্তান আমলের দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তৎকালীন ব্রিটিশ রাজাধানী কলকাতার সাথে মেইল স্টিমারসহ মাল এবং যাত্রীবাহী স্টিমার সার্ভিস চালু ছিল। একপর্যায়ে নাগরপুরের সাথে কলকাতার একটি বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে পশ্চিম বঙ্গ কলকাতা থেকে আসেন রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডল (ধনাঢ্য ব্যক্তি)।ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি পাকুটিয়ায় জমিদারী শুরু করেন। প্রায় ১৫ একর এলাকা জুড়ে একই নকশার পর পর তিনটি প্যালেস বা অট্টালিকা নির্মাণ করা হয় (১৯১৫)। তখন জমিদার বাড়িটি তিন মহলা বা তিন তরফ নামে পরিচিত ছিল। এই স্থানের জমিদাররা তাদের প্রজাদের জমিদার বাড়ির সামনে দিয়ে জুতা পায়ে বা ছাতা মাথায় দিয়ে যেতে দিতো না।